এই দেশ শুধু রক্ত দিয়ে দখল হয়নি।
এই দেশ আজও দখল হচ্ছে—
স্ক্রিন দিয়ে, গান দিয়ে, ভাষা দিয়ে,
চিন্তা ও চেতনার ভেতর ঢুকে।
ট্যাংকের শব্দ নেই,
বুলেটের ধোঁয়া নেই—
তবু প্রতিদিন
একটা জাতিকে ধীরে ধীরে খালি করে দেওয়া হচ্ছে।
এই আগ্রাসনের নাম—
সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ।
UniVoice Cultural Centre
এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে
একটি সাংস্কৃতিক বিদ্রোহ।
আমরা হাততালি চাই না।
আমরা প্রশংসা চাই না।
আমরা চাই যোগ্যতা,
যে যোগ্যতা অপসংস্কৃতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে।
আমরা জানি—
আবেগ দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়,
কিন্তু যুদ্ধ জিতে দক্ষতা।
তাই আমরা লাইব্রেরি গড়ছি,
ভাষা শিখছি,
কনটেন্ট বানাচ্ছি,
মাঠে নামছি।
কারণ কালচারাল ফ্যাসিস্টদের
কান্না দিয়ে নয়—
বুদ্ধি দিয়ে তাড়াতে হয়।
আমরা সেই প্রজন্ম
যারা আর নিশ্চুপ থাকবে না।
যাদের পূর্বপুরুষদের নীরবতার মূল্য
আজও দিতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রশ্নে
আমাদের কোনো আপোষ নেই।
স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব
এখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ চলে না।
ধর্ম, দল, পরিচয়—
সব গৌণ।
যদি তুমি এই দেশটাকে নিজের ভাবো।
আমরা জান দিয়ে হলেও লড়বো।
কিন্তু বিক্রি হবো না।
কাজ করতে করতে শেষ হয়ে যাবো,
কিন্তু লাইনচ্যুত হবো না।
UniVoice কোনো সেফ স্পেস নয়।
এটা কমফোর্ট জোন না।
এটা তাদের জায়গা
যারা প্রশ্ন করে, শেখে, গড়ে তোলে
এবং ভাঙতে জানে।
আমরা নতুন কোনো উৎসব আনতে আসিনি।
আমরা হারানো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে এসেছি।
আমরা ভিখারি হতে আসিনি—
আমরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে এসেছি।
এই লড়াই আজ থামলে
আগামী প্রজন্ম প্রশ্ন করবে—
“তোমরা তখন কী করেছিলে?”
আমরা চাই না
সেই প্রশ্নের জবাব দিতে লজ্জা হোক।
UniVoice Cultural Centre
একটি ঘোষণা—
এই দেশে সাংস্কৃতিক দাসত্ব চলবে না।
তুমি যদি প্রস্তুত হও—
শিখতে, গড়তে, লড়তে—
তাহলে জায়গাটা তোমার।
এই যুদ্ধ দীর্ঘ।
এই যুদ্ধ কঠিন।
তবুও—
আমরা পিছু হটবো না।
No comments:
Post a Comment